Logo

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

profile picture
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৫ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৪৪
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক কর্মসূচি পালনকে ঘিরেই দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে তাদের নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করছিল। এ সময় মিছিল থেকে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আপত্তি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে হাতাহাতি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতিও রয়েছেন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে আহতদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ও তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু অভিযোগ করেন, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, উপাচার্য ও প্রক্টরের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটেছে এবং এতে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রশিবিরের কর্মসূচিতে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল। তার দাবি, ওই কর্মসূচি থেকে সরকারবিরোধী ও উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। এতে আপত্তি জানানো হলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ধরনের সহিংস ঘটনা কেউ প্রত্যাশা করে না এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই সবার দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে সংঘর্ষের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD