ডুবে যাওয়ার আগেই কৃষকের ধান কেটে দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো বর্ষা ও আকস্মিক ভারী বৃষ্টিতে মুহূর্তেই উত্তাল হয়ে ওঠে, আর নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি দ্রুতই পানির নিচে চলে যায়। লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও বড়বাড়ি ইউনিয়নের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মরাসতি নদীতেও সম্প্রতি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন প্রায় শুকনো থাকা নদীর বুকে কৃষকরা পাকা ধানের চাষ করেছিলেন। কিন্তু ভারী বৃষ্টিতে নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পাকা ধান ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বিজ্ঞাপন
এমন সংকটময় মুহূর্তে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্যরা। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে তারা দুইজন কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন। সময়মতো ধান কেটে না নিলে পুরো ফসল পানিতে নষ্ট হয়ে যেত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তরুণদের এই উদ্যোগ কৃষকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি ও আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে।
এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার উপদেষ্টা তন্ময় আহমেদ নয়ন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব, সদর উপজেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র বর্মন, কার্যকরী সদস্য পবিত্র চন্দ্র রায়, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক নোবেল সরকার নিরব, সদস্য ভূপতি রায়, নাহিদ আলম, রাব্বিসহ আরও অনেকে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: প্রথম প্রান্তিকে শক্ত অবস্থানে এনআরবিসি
সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও ভালো কাজের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল অঙ্গীকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।








