বিচার বিভাগের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ছিল গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, জুলাইয়ের অভ্যুত্থান সংবিধান বাতিলের জন্য ছিল না। বরং লক্ষ্য ছিল সংবিধানের সঙ্গে বিচার বিভাগের সম্পর্ককে বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করে তোলা।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) অবসরের আগে আপিল বিভাগে শেষ কর্মদিবসে এ কথা বলেন তিনি।
বিদায়ী বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রে যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ অটুট থাকবে, সুপ্রিম কোর্ট ততদিন ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো, ক্ষমতা পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মধ্য দিয়েই বিচার বিভাগের কর্তব্য সম্পন্ন হওয়া উচিত।
বিজ্ঞাপন
প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগের শক্তি কোনও একক দফতরে নয়; বরং সততা, দূরদর্শিতা এবং ন্যায়বিচার করার সম্মিলিত সংকল্পের মধ্যে নিহিত।
এদিন আপিল বিভাগের এজলাসে প্রধান বিচারপতির বিদায়ী সংবর্ধনা দেয় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজামান বলেন, প্রধান বিচারপতি রাজনৈতিক অনুকম্পায় বিচারক নিয়োগের সংস্কৃতি ভেঙেছেন। তার নেতৃত্বে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পূর্ণতায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতি সৎ, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ বহু মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করবেন। তবে সুপ্রিম কোর্টে অবকাশকালীন ছুটির কারণে বৃহস্পতিবারই তার শেষ কর্মদিবস ছিল।








