Logo

বাগেরহাট-২ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১ এপ্রিল, ২০২৬, ১৬:৪৮
বাগেরহাট-২ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনের ফলাফল নিয়ে ওঠা কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত এ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট সব নির্বাচনি নথি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

একইসঙ্গে, এই আসনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছে নোটিশ জারি করা হয়েছে, যাতে তারা বিষয়টি নিয়ে আদালতে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের দায়ের করা মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে তিনি এই মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বাগেরহাট-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে থেকে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪০৯ ভোট।

ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোট গণনায় অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তোলেন বিএনপির এই প্রার্থী। তার দাবি, প্রকৃত ফলাফল প্রতিফলিত হয়নি এবং ভোট গণনার প্রক্রিয়ায় গুরুতর ত্রুটি রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।

হাইকোর্টের এই নির্দেশনার ফলে এখন নির্বাচনের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে, যা পরবর্তী শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে বিতর্কের ক্ষেত্রে আদালতের এমন নির্দেশনা স্বচ্ছতা নিশ্চিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের পথ সুগম করে।

এ ঘটনায় বাগেরহাট-২ আসনের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD