অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

অস্ত্র আইনের মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল, ওরফে দাউদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বর্তমানে পলাতক থাকায় একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে পূর্বে জারি থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও বহাল রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত রবিবার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর রাজধানীর আদাবর এলাকায় বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় র্যাব-২। অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টা করলে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পরদিন আদাবর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র্যাবের সদস্য মশিউর রহমান।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল ও সহিংস অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তিনি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে সংরক্ষণ করতেন।
বিজ্ঞাপন
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। তবে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে গত মাসে তাকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।







