Logo

সারাদেশের নিম্ন আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মে, ২০২৬, ১৪:০৬
সারাদেশের নিম্ন আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের অধস্তন আদালতগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় গঠিত এই নতুন কমিটিতে হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতিকে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটটি বিভাগের অধীনস্থ আদালতগুলোকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস’ নামে পৃথক ১৩টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় ১৩ জন কর্মকর্তাকেও সাচিবিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের মধ্যে বরিশাল বিভাগে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজশাহী-২ বিভাগের (বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ) তদারকিতে রয়েছেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি। ঢাকা-১ বিভাগের (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা) দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি জে বি এম হাসান।

বিজ্ঞাপন

খুলনা-১ বিভাগের (খুলনা, যশোর, বাগেরহাটসহ) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়াকে, আর খুলনা-২ বিভাগের (কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ) দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ। ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায় নজরদারির দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল। ঢাকা-২ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় তদারকির দায়িত্বে আছেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১ বিভাগের (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পার্বত্য জেলাসহ) দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান। রংপুর-১ বিভাগের (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট) দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার। চট্টগ্রাম-২ বিভাগের (কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ) দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি আহমেদ সোহেল।

রাজশাহী-১ বিভাগের (রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোরসহ) তদারকিতে থাকবেন বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর। রংপুর-২ বিভাগের (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী) দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম। আর সিলেট বিভাগের চারটি জেলায় নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহকে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টরা জানান, নিম্ন আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়ানো, মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা হ্রাসের লক্ষ্যেই এই কমিটিগুলো কাজ করবে।

উল্লেখ্য, প্রথমবার ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি আট বিভাগের জন্য আটজন বিচারপতিকে নিয়ে এই মনিটরিং কাঠামো গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কাজের পরিধি বাড়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে ১৩ জন করা হয়। এর পর গত বছরের এপ্রিলেও একবার কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD