স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের মৃত্যু: প্রতিবেদনে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সংবাদকর্মী স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, পারিবারিক টানাপোড়েন ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপই এই মৃত্যুর পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে।
বিজ্ঞাপন
গত ১৪ এপ্রিল শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পরে ১৯ এপ্রিল আদালত তা গ্রহণ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের কর্মকর্তা শফিকুর রহমান।
ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ১৮ অক্টোবর, যখন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার নাভানা টাওয়ারের একটি বাসা থেকে স্বর্ণময়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তখন থেকেই নানা প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং সহকর্মীসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
বিজ্ঞাপন
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্বাসরোধজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগ। একই সঙ্গে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষায় কোনো ধরনের যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি।
পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ও একটি লেখা উদ্ধার করা হয়। সেখানে পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা এবং মানসিক হতাশার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এসব তথ্য, ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং সামগ্রিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে এটি আত্মহত্যার ঘটনা এবং এতে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পর স্বর্ণময়ীর বড় ভাই একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলেও, যাকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছিল তিনি তা অস্বীকার করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সবদিক বিবেচনায় নিয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে এই ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক সম্পৃক্ততা নেই।








