Logo

ইকরার আত্মহত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জুন, ২০২৬, ১৬:০৫
ইকরার আত্মহত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী
ছবি: সংগৃহীত

স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে ছোট পর্দার অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি জাহের আলভী নামে পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা জানান, এদিন জাহের আলভীর পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের সম্পৃক্ততাও তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখার দাবি জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আদালতে আলভীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে জানানো হয়।

এর আগে গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে ২১ জুন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমানজনক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন জাহের আলভী। এছাড়া বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে বিভিন্ন মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে। মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন ছিল বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এর আগে একই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফরা ইবনাত খান ইকরাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।

বিজ্ঞাপন

পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। মামলার তদন্ত এখনও চলমান।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD