Logo

জুলাই হত্যা মামলা এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্য ট্রাইব্যুনালের

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:১৯
জুলাই হত্যা মামলা এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্য ট্রাইব্যুনালের
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিচার আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। তবে বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করা হবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এখন পর্যন্ত ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে আরও মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হলেও এতে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে জুলাই-সংশ্লিষ্ট ২০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, এসব মামলা আগামী এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য প্রসিকিউশন কাজ করছে। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর আপিল শুনানির প্রস্তুতিও চলছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, সারা দেশে জুলাই-সংশ্লিষ্ট ৫০৯টি ঘটনার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যেসব ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিচারপ্রক্রিয়ায় বাছাই করে আসামি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর। তার ভাষ্য, তদন্ত কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে তদন্ত পরিচালনা করেন এবং প্রসিকিউশন কোনোভাবেই তদন্তে হস্তক্ষেপ করে না। তদন্তে কোনো ঘাটতি বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন পুনঃতদন্তের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, কারও মনে হতে পারে ইচ্ছামতো আসামি করা হচ্ছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি এ ধারণাকে সমর্থন করে না।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বাইরে অন্য বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি কোথায় বক্তব্য দিচ্ছেন বা দিচ্ছেন না, সেটি ট্রাইব্যুনালের মূল বিবেচ্য নয়। আদালতের রায় কার্যকর করতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াই ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব। তাকে দেশে ফেরানো সম্ভব না হলে রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD