Logo

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১৪:৩৯
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা
ছবি: সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ। অপর সদস্য ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

গ্রেপ্তার দেখানো তিন সাংবাদিক হলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্য প্রসিকিউটররা।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গত ১৭ আগস্ট তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই আদেশের ভিত্তিতে তাদের সোমবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষ তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে। পাশাপাশি তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চাওয়া হয়।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন বলে প্রসিকিউশনের অভিযোগ।

রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

প্রসিকিউশনের দাবি, ওই বক্তব্য ও কথিত উসকানির ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। মামলায় ১৪ জুলাই গণভবনের সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্ত করা হচ্ছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD