Logo

আদালতে হাজির হয়ে জামিননামা জমা দিলেন এমপি গাজী নজরুল

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৯:২১
আদালতে হাজির হয়ে জামিননামা জমা দিলেন এমপি গাজী নজরুল
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার পল্লবী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিনের পর নিম্ন আদালতে জামিননামা জমা দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

রবিবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জামিননামা জমা দেন জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত এই সংসদ সদস্য।

মামলার প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গাজী নজরুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। সেই জামিনের ভিত্তিতে রবিবার তিনি আদালতে জামিননামা দাখিল করেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান গত ২১ জুলাই পল্লবী থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করেন। অভিযোগে বলা হয়, কথিত অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং গোপন ভিডিও ফাঁসের সন্দেহকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও আমিনুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, মোতসাসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসানকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এজাহারে বাদী ওবায়দুর রহমান জানান, তিনি পল্লবীর কালশী এলাকার রোজগার্ডেন টাওয়ারে তার বোনের বাসায় থাকতেন এবং গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন।

বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার ভাগনির একটি অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান এবং নজরুল ইসলামকে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, মগবাজারের একটি চক্র গাজী নজরুল ইসলাম ও তার ভাগনির কিছু কথিত আপত্তিকর ভিডিও সংগ্রহ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। নজরুল ইসলামের সন্দেহ ছিল, ওবায়দুর ওই ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট চক্রের কাছে সরবরাহ করেছেন। এ বিরোধের জেরেই গত ১৪ জুলাই হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ওবায়দুরের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন সকাল ১১টার দিকে আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে নিয়ে যান। সেখানে অন্য আসামিরা তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে আমিনুর তাকে মেঝেতে ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এ সময় ওবায়দুরের মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম চিৎকার করে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহত ওবায়দুর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

মামলার বাদীর আরও অভিযোগ, হামলার পরও আসামিরা তাকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করার হুমকি দিয়ে আসছেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD