শেখ হাসিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর

রাজধানীর কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে ৯ তরুণ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ-সংক্রান্ত আদেশ দেন। এর আগে গত ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি হয়। ওই শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন জানায় প্রসিকিউশন। তবে আসামিপক্ষের ডিসচার্জ বা অব্যাহতির আবেদনও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মামলার দুই আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলাতক আসামিদের মধ্যে শেখ হাসিনা ছাড়াও রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় এবং সাবেক যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে কথিত জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানো হয়। ‘অপারেশন স্ট্রম-২৬’ নামে ওই অভিযানে ৯ তরুণ নিহত হন। রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য, ঘটনাটিকে ‘জঙ্গিবিরোধী অভিযান’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
গত ২৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে পলাতক ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ৮ মার্চ তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। এ সময় প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মামুনুর রশিদ, তারেক আবদুল্লাহ, মঈনুল করিম ও শাইখ মাহদীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সুলতান মাহমুদ সিমন।
মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন।








