স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় কিশোরীকে বাসায় এনে ধর্ষণ, আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় জামাল নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ আদায় করা সম্ভব না হলে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় কারাগার থেকে জামালকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে সাজার পরোয়ানা জারি করে তাকে আবার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে জামাল তার বাসায় এক কিশোরীকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। একই সময়ে তার শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি তার মায়ের নজরে আসে।
এরপর ২০২৪ সালে ভুক্তভোগীর মা কামরাঙ্গীরচর থানায় জামালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের পর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালে মোট ৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। তাদের সাক্ষ্য এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত জামালকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
পরে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের সাজা দেন। জরিমানার অর্থ আদায় করা না গেলে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ওই অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।








