Logo

ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় তন্বী ও সোহানের ৫ দিনের রিমান্ড

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯:৩০
ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় তন্বী ও সোহানের ৫ দিনের রিমান্ড
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাঁরা হলেন ডাকসুর সাবেক সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফাল্গুনী দাস তন্বী এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ওরফে সাজেদুর রহমান সোহান।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন। সোহানের আইনজীবী শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

আবেদনে বলা হয়, ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা জানতে, পলাতক আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করতে এবং অর্থের জোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২২ অক্টোবর তন্বীকে এবং ২৪ অক্টোবর সোহানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

এজাহারে ককটেল বিস্ফোরণ ও আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-১-এর ৩ নম্বর সড়কে কেএফসি রেস্তোরাঁর সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি জড়ো হন। তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এজাহারে আরও বলা হয়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং সমবেত ব্যক্তিরা মারমুখী আচরণ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ছোড়ে বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় একটি লাল-সবুজ স্কচটেপে মোড়ানো ব্যাগ ফেলে যাওয়া হয়। পরে ওই ব্যাগ থেকে পাঁচটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।

পুলিশ আরও দাবি করেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তন্বী ও অন্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD