বৃহঃস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের শনিবারের ‘বিজয় শোভাযাত্রা’ সফল করার আহবান


নিজস্ব প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘বিজয় শোভাযাত্রা’ করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে ‘বিজয় শোভাযাত্রা’ বাস্তবায়ন ও সফল করতে জরুরি প্রস্তুতি সভা করেছে দলটি। শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় জানানো হয়, শনিবার (১৮ ডিসেম্বর)  দুপুর দুইটায় রাজধানীতে ‘বিজয় শোভাযাত্রা’ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। বর্ণাঢ্য এ শোভাযাত্রাটি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হবে।  এ কর্মসূচিতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীগণ অংশগ্রহণ করবেন।

সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, রাজধানী ঢাকার উত্তর প্রান্ত থেকে কর্মসূচিতে যোগদান করতে আসা দলীয় নেতা-কর্মীদের হাতিরঝিল, মগবাজার ও মৎস্য ভবনের সড়কসমূহ এবং ঢাকার দক্ষিণ প্রান্ত থেকে আসা দলীয় নেতাকর্মীদের গুলিস্তান, হাইকোর্ট মাজার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সড়কসমূহ ব্যবহার করতে হবে এবং সড়কসমূহে সর্ব সাধারণের চলাচলের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে হবে। 

একইসঙ্গে সভায় শোভাযাত্রাটি বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন এবং বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আওয়ামী লীগ অনুরূপভাবে সারাদেশে একযোগে ‘বিজয় শোভাযাত্রা’ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, ড. হাছান মাহমুদ, আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ


নিজস্ব প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ১২:২৮ পিএম,১লা জুন ২০২৩

ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির আহবায়ক খায়রুল কবীর খোকনের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। 


বুধবার (৩১ মে) বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার চিনিশপুরস্থ খায়রুল কবীর খোকনের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটে।


এদিন বিকালে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল মান্নান আনসারী।


আরও পড়ুন: রাজধানীর আদাবরের আগুন নিয়ন্ত্রণে


গত ২৫ মে দুই পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকে গুলি হত্যার ঘটনার কারণেই এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।


নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, আমরা সোয়া পাঁচটার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়েছি। খবর পাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। আমরা এসে দেখি ঘরের প্রতিটি রুমের মধ্যে আগুন জ্বলতেছে। আমরা প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া বাড়িতে ঢুকার সময় নিচে দুটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছেন বলেও জানান তিনি।


জেবি/ আরএইচ/

ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকার : মির্জা ফখরুল


নিজস্ব প্রতিবেদক
🕐 প্রকাশ: ০৩:০৮ পিএম,৩১শে মে ২০২৩

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম বন্ধ করতে সরকার ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


তিনি বলেন, সরকার বিরোধী দলের ১৩৫০টি মামলা নিয়ে মাঠে নেমেছে। আগামী নির্বাচনের আগে এই মামলাগুলো দ্রুত শেষ করে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠনোর ব্যবস্থা করা হবে। যাতে নির্বাচনে প্রতিপক্ষ ছাড়া খালি মাঠে খেলে সহজে জয়ী হতে পারে।


বুধবার (৩১ মে) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।


আরও পড়ুন: মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে: ফখরুল


সরকার ক্ষমতা টিকে থাকার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে বে-আইনিভাবে ব্যবহার করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্রের সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। অত্যন্ত ক্ষোভ ও বেদনার সঙ্গে লক্ষ্য করছি, পুরোনো মামলাগুলো আবারও শুনানি করে রাজনৈতিক নেতাদের সাজা দেওয়া হলো। এটা হচ্ছে সরকারের মৃত্যু ঘনিয়ে আসার আগে যখন আশা থাকে না তখন কোনও কিছু আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে মামলায় বিএনপির দুই নেতাকে সাজা দেওয়া হয়েছে তা হাইকোর্ট থেকে আগেই খারিজ হয়ে গিয়েছিল। একইভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী জেবায়দা রহমানের ২০০৭ সালের মামলাগুলো চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন সাক্ষী হাজির করা হচ্ছে। এ নিয়ে কোর্টে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা কথা বলতে চাইলে তাদের ওপর সরকারি দলের আইনজীবীরা হামলা করে। পুলিশ দিয়ে নির্যাতন চালায়।


প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সরকার এমন নোংরা ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, একই ধরনের মামলায় বিচারক আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে খালাস দিয়েছে, অথচ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমানউল্লাহ আমান ও তার স্ত্রীকে সাজা দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন : সরকার গোটা বিশ্বকে বোকা বানাচ্ছে: মির্জা ফখরুল


মির্জা ফখরুল বলেন, সারাদেশে এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে সাত শতাধিক। গত ১২ দিনে নতুন মামলা হয়েছে ১৫২টি। আসামি সাড়ে পাঁচ হাজার। ভয়-ত্রাস সৃষ্টি করে এক কায়দায় নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায়। কিন্তু মানুষ এবার তা সফল হতে দেবে না।


জেবি/ আরএইচ/

রায়কে ফরমায়েশি বলে মির্জা ফখরুল আদালত অবমাননা করেছেন : কাদের


নিজস্ব প্রতিবেদক
🕐 প্রকাশ: ০২:১৬ পিএম,৩১শে মে ২০২৩

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতির মামলায় বিএনপির দুই নেতাকে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রেখে দেশের উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন, সে সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেশবাসীকে হতাশ করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে ‘ফরমায়েশি রায়’ বলে মির্জা ফখরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশের আইন ও পবিত্র আদালত অবমাননার শামিল। 


তিনি বলেন, বিএনপির এই দুই নেতার আজকের পরিণতি তাদের ধারাবাহিক অপরাজনীতিরই ফসল। বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে হাওয়া ভবন খুলে তারা দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসবে মেতে উঠেছিল, যার পরিণতিতে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।


বুধবার (৩১ মে) দুপুরে দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। 


আরও পড়ুন: বর্তমান সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব: কাদের


বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির দুই নেতার দুর্নীতির মামলার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের কোনো যোগসূত্র নেই। ২০০৭ সালে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং তাদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার পর নিম্ন আদালত শাস্তিমূলক রায় দেন। প্রায় ১৬ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে আদালত তাদের সাজা দিয়েছেন।  


বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের পবিত্র সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও আইন ও বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। এমনকি বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ড এবং বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায়ও ছাত্রলীগের নেতারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ভোগ করছে।  


বিবৃতিতে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিচারব্যবস্থাকে স্বাধীন করেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশের বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিএনপিই বিচারব্যবস্থাকে দলীয়করণ করেছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা খুনি জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার মধ্য দিয়ে পবিত্র সংবিধানকে কলঙ্কিত করে। মূলত জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি চালু করে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিচারহীনতার সংস্কৃতির পরিবর্তে দেশে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।  


আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার কবরে শুয়ে আছে: কাদের


বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তাদের দলীয় গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করেছে এবং দলের চিহ্নিত শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের সুরক্ষা দিয়েছে। অনুরূপভাবে তারা আদালতের রায়কে ‘ফরমায়েশি রায়’ বলে দেশের উচ্চ আদালত এবং পবিত্র সংবিধানকে অবমাননা করেছে। মার্কিন নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করার পর বিএনপি তাদের বিদেশি প্রভুদের কাছ থেকে করুণা প্রাপ্তির আশায় সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। উচ্চ আদালতের রায়কে ফরমায়েশি বলা তাদের সেই চলমান ষড়যন্ত্রেরই অংশ। এই ধরনের অপরাধের জন্য বাংলাদেশের জনগণের কাছে তাদেরকে অচিরেই জবাবদিহি করতে হবে।


জেবি/ আরএইচ/

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরোজায় দোয়া ও মোনাজাত


নিজস্ব প্রতিবেদক
🕐 প্রকাশ: ০৭:৫২ পিএম,৩০শে মে ২০২৩

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরোজায় দোয়া ও মোনাজাত। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় দিনব্যাপী কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে।


মঙ্গলবার (৩০ মে) অনুষ্ঠিত বিশেষ এই মোনাজাতে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।


আরও পড়ুন: ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা জিয়া


এছাড়া দোয়া অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান।


এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দর, বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মো. ইসহাক, ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ডা. মো. আল মামুন, প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদারসহ আলেম ওলামা মাশায়েখ এবং চেয়ারপার্সনের বাসভবন ও রাজনৈতিক কার্যালয়ের কর্মচারীরাও দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।


জেবি/ আরএইচ/

গণতন্ত্র হত্যার কলঙ্কজনক অধ্যায় জিয়ার হ্যাঁ-না ভোট: জয়


নিজস্ব প্রতিবেদক
🕐 প্রকাশ: ০৫:৩৭ পিএম,৩০শে মে ২০২৩

সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের  হ্যাঁ/না ভোটগণতন্ত্র হত্যার কলঙ্কজনক অধ্যায়।


মঙ্গলবার (৩০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে ১ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। সেখানে দেয়া ক্যাপশনে এসব লেখেন জয়।


তিনি লিখেছেন, বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে সপরিবারে হ ত্যা র পর অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে তা পাকাপোক্ত করতে ন্যাক্কারজনকভাবে হ্যাঁ/না ভোটের আয়োজন করেন জেনারেল জিয়া। লোকদেখানো সেই হ্যাঁ/না ভোটের আগে কোনো মিটিং মিছিল পর্যন্ত হয়নি। ছিল না পরিচিতি ও প্রচারের ব্যবস্থা। রাস্তাঘাটে রিকশা-বাসে এবং মানুষের ব্যক্তিগত যানবাহনে জোর করে সামরিক পোশাক পরিহিত জেনারেল জিয়ার পোস্টার সাঁটিয়ে প্রচারণার নামে একধরণের আ ত ঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।


আরও পড়ুন: বিএনপি দেশে শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়: ওবায়দুল কাদের


তিনি আরও লেখেন, ভোটের দিন ভোটারবিহীন ভোটকেন্দ্রে মানুষ খুঁজে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত অনেক শিশুকেও জোর করে ভোট দিতে নিয়ে যাওয়া হয়। দিন শেষে ঘোষণা আসে, ৯৯.৪ ভাগ ভোট পেয়ে একচেটিয়াভাবে জয় লাভ করেছেন জেনারেল জিয়া! তার বিপক্ষে কেউ ভোট দেয়নি!! এই হাস্যকর নির্বাচন এবং এর আগের-পরের ঘটনাপ্রবাহ বাঙালির ইতিহাসের অমোচনীয় কলঙ্কময় অধ্যায়।


আরও পড়ুন: চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে: তথ্যমন্ত্রী


সজীব ওয়াজেদ জয়  লেখেন,অতঃপর রাষ্ট্রীয় প্রবিধানকে পাশ কাটিয়ে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই নিয়মবর্হিভূতভাবে গঠন করেন রাজনৈতিক দল 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'। সেই দলের হয়ে ১৯৭৮ সালের তথাকথিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেন এবং নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এই নির্বাচনে জিয়া কোনো কোনো এলাকায় ১২০ ভাগ ভোট পেয়েছেন বলেও বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে।


জেবি/এসবি