অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না


Janobani

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫:৫৩ পিএম, ৩০শে আগস্ট ২০২৫


নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না
নুরুল হক নুর -ছবি: সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের পক্ষে সাহসী ভূমিকা রাখা রাজনীতিবিদ নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।


সরকার জানায়, কেবল জনাব নুরুল হক নুরের ওপর নয়, এ ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক চেতনার ওপরও আঘাত।


আরও পড়ুন: ডিবি কর্মকর্তা নন মেরুন টি-শার্ট পরিহিত যুবক: ডিবিপ্রধান



অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণকে আশ্বস্ত করেছে যে, এই নৃশংস ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িত কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না। স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে বিচার সম্পন্ন করা হবে।


তাৎক্ষণিকভাবে জনাব নুরুল হক নুর ও তার দলের অন্যান্য আহত সদস্যদের চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় খরচে তাদের বিদেশে পাঠানো হবে।


এই সংকটময় সময়ে নুরুল হক নুর, তার দলের আহত সদস্য ও তাদের পরিবারের সঙ্গে পুরো জাতির প্রার্থনা ও সংহতি রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।


আরও পড়ুন জ্ঞান ফিরেছে নুরের


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক নূর ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। একজন ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন, বিভিন্ন মত ও কণ্ঠকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তাকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নির্মম নির্যাতন করা হয়। তার ভূমিকা একটি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতীক। তার সাহস ও আত্মত্যাগ চিরকাল জাতির ইতিহাসে অম্লান থাকবে।


এছাড়া সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে সবার ঐক্য জরুরি।


সবশেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে এবং কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।


এসএ/