ভারতীয় চাল আসতেই বাজারে প্রভাব, কমছে দাম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হতেই স্থানীয় বাজারে দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে চালের দাম। এতে স্বস্তি ফিরেছে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের মাঝে।
বিজ্ঞাপন
বন্দরের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিন আগেও চিকন জাতের শম্পা চাল বিক্রি হচ্ছিল প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭১ টাকায়। তবে আমদানি কার্যক্রম শুরুর পর বর্তমানে একই চালের দাম নেমে এসেছে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকায়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশীয় বাজারে সরবরাহ বাড়ায় প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমছে। তাদের মতে, চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবং আমদানি অব্যাহত থাকলে আরও কমতে পারে দাম।
বিজ্ঞাপন
হিলি বাজারের কয়েকজন পাইকার জানান, আগে সীমিত সরবরাহের কারণে দাম বাড়তি ছিল। কিন্তু আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে চাপ কমেছে। এতে বিক্রিও বেড়েছে।
দাম কমায় সাধারণ ক্রেতারাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলছেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে চালের বাড়তি দামে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। এখন কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলছে।
খুচরা বিক্রেতারাও জানান, দাম কম থাকলে বিক্রি বাড়ে এবং ক্রেতাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। ফলে বাজারে লেনদেনও স্বাভাবিক থাকে।
বিজ্ঞাপন
হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনে ভারত থেকে ৩৭টি ট্রাকে মোট ১ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন চাল এই স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। আমদানি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সামনে আরও চাল আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমদানিকারকদের মতে, চালের সরবরাহ যদি ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে। এতে শুধু পাইকারি নয়, খুচরা পর্যায়েও দাম আরও কমতে পারে।
বিজ্ঞাপন
সব মিলিয়ে, ভারতীয় চাল আমদানি শুরুর পর হিলি বন্দরকেন্দ্রিক বাজারে ইতোমধ্যেই দামের পতন শুরু হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভোক্তারা দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








