রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা : ইউরোপে দাম কমেছে বাংলাদেশি পোশাকের

ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পোশাকের দাম চাহিদা হ্রাস এবং তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে। বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের বিশ্লেষণ এবং ইউরোস্ট্যাটের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিয়েতনামকে ছাড়া ইউরোপে অন্য সব বড় রফতানিকারক দেশের পোশাকের দাম হ্রাস পেয়েছে। চাহিদার মন্দা এবং চীন, ভারতসহ প্রধান রফতানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা দরপতনের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়েছে।
তবে পরিমাণে রফতানি বেড়েছে। ২০২৪ সালে ইউরোপে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল ১৮.৩২ বিলিয়ন ইউরো, যা ২০২৫ সালে ১৯.৪১ বিলিয়ন ইউরোতে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ রফতানির পরিমাণ প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, আয়ের প্রবৃদ্ধি সেই তুলনায় কম হওয়ায় ইউনিট প্রতি দামের হ্রাস হয়েছে প্রায় ৩.৮৪ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পোশাক খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্মত পণ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমিয়ে এবং বৈচিত্র্যময় নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসার মাধ্যমে দাম কমানোর নেতিবাচক প্রভাব সামলানো সম্ভব।
আরও পড়ুন: বিকাশ, নগদ ও রকেটে লেনদেনে আর বাধা নেই
এ পরিস্থিতিতে রফতানিকারকরা জানান, ভলিউম বৃদ্ধি সত্ত্বেও আয়ের হ্রাস তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। তারা আশা করছেন, নতুন মার্কেট কৌশল এবং মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আগামীতে দাম ও আয়ের সমন্বয় করা সম্ভব হবে।








