Logo

রোজার প্রথম শুক্রবারে মাছ–মাংসের চড়া দাম

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১১
রোজার প্রথম শুক্রবারে মাছ–মাংসের চড়া দাম
ছবি: সংগৃহীত

রমজানের প্রথম শুক্রবারে ছুটির দিনের সাপ্তাহিক বাজার ও ইফতারের বাড়তি চাহিদাকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে মাছ ও মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে সোনালি মুরগি, গরুর মাংস এবং মাঝারি মানের কয়েকটি মাছের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

রামপুরা বাজার ও বনশ্রী ‘এ’ ব্লক কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

বর্তমানে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; গত সপ্তাহে এ দাম ছিল প্রায় ১৮০ টাকা। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, রমজানে ইফতার ও পারিবারিক আয়োজন বাড়ায় চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে দামও বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

গরুর মাংস কেজি প্রতি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় রয়েছে।

মাছের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি স্পষ্ট। মাঝারি আকারের রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি।

বিজ্ঞাপন

রামপুরা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, রোজা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে বাড়তি চাপ পড়েছে। গত সপ্তাহে যে রুই মাছ ৩৬০ টাকায় কিনেছেন, এখন তা ৪০০ টাকার বেশি। মুরগির দামও বেড়েছে, ফলে সংসারের বাজেট সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

বনশ্রীর এক গৃহিণী জানান, রমজানে মুরগির চাহিদা বেশি থাকে। কিন্তু বাজারে এসে দেখা যাচ্ছে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। ডিমের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও অন্যান্য পণ্যে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

বিক্রেতাদের মতে, মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। খামার পর্যায়ে দাম বাড়ার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, পরিবহন ও বরফের খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরায়ও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তবে ডিমের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের সমান। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় আপাতত এ পণ্যের দাম বাড়েনি।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রমজানের শুরুতেই বাড়তি চাহিদায় মাছ–মাংসের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

জেবি/জেএইচআর
Logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ( শফিক )

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৫৭, ময়মনসিংহ লেন, ২০ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০।

ফোনঃ 02-44615293

ই-মেইলঃ dailyjanobaninews@gmail.com; dailyjanobaniad@gmail.com

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD