দেশের বাজারে কমলো সোনা ও রুপার দাম, ভরিতে কত?

দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমে দুই লাখ ৪৭ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছে। এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) এই মানের সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই দাম জানানো হয়। বাজুস জানিয়েছে, ঘোষণা অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকেই সংশোধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে।
আরও পড়ুন: আজকের মুদ্রার দর : ২২ এপ্রিল ২০২৬
সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।
সোনার দামরে সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম কমে হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখি ছিল। এরপর মূল্য সমন্বয় দর ওঠানামা করতে থাকে। বিশ্বজুড়ে সোনা ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৭০০ ডলার নেমে গেছে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দামের লাগাতার ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস এক ধাক্কায় ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ায়। এতে করে ২২ ক্যারেট সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিসেবে রেকর্ড গড়ে। একই সঙ্গে এক দফায় এত বড় মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা এর আগে দেখা যায়নি।








