বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন

মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্পট মার্কেটে সোনার দাম একপর্যায়ে প্রায় ১ শতাংশ কমে যায়। উচ্চ সুদহারের সম্ভাবনা ও শক্তিশালী ডলার সোনার চাহিদায় চাপ তৈরি করছে।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ৭৮ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগামী ডিসেম্বরের সরবরাহের জন্য মার্কিন ফিউচার মার্কেটে দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫৪ ডলারে দাঁড়ায়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
স্যাক্সো ব্যাংকের কমোডিটি স্ট্র্যাটেজির প্রধান ওলে হ্যানসেন রয়টার্সকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা বর্তমানে ৪ হাজার ৩০০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। ফেড কর্মকর্তাদের সুদহারসংক্রান্ত বক্তব্য, বন্ডের আয় এবং জ্বালানি তেলের দামের পরিবর্তন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।
গত সপ্তাহে ফেড সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে বছরের শেষের আগে আরও এক দফা সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ফেডের কয়েকজন কর্মকর্তাও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নীতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সাধারণত সুদহার বাড়লে সুদনির্ভর সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়ে। বিপরীতে কোনো সুদ বা নিয়মিত আয় না দেওয়া সোনা তুলনামূলক কম আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। শক্তিশালী ডলারও অন্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারভিত্তিক সোনার দাম বাড়িয়ে চাহিদায় চাপ তৈরি করতে পারে।
এদিকে সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৩৯ ডলারে নেমেছে। প্ল্যাটিনামের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৯৪ দশমিক ২৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৮৫ দশমিক ১৯৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।








