Logo

সবজির বাজারে মিলছে না স্বস্তি, ভোগান্তিতে সাধারণ ক্রেতারা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১
সবজির বাজারে মিলছে না স্বস্তি, ভোগান্তিতে সাধারণ ক্রেতারা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দামে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম, প্রতি কেজি ২০০ টাকা। বিপরীতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, যার কেজি ৩০ টাকা। অধিকাংশ সাধারণ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৭০ টাকার ওপরে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিমের দামেও বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি।

বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের মতো সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। আর ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। কয়েক সপ্তাহ আগে ২০০ টাকা কেজিতে ওঠা কাঁচা মরিচের দাম সরবরাহ বাড়ায় কিছুটা কমেছে। মানভেদে এখন প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।

অন্যান্য সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। বরবটি, ঝিঙে ও করলার দাম ৮০ টাকা কেজি। লাউ আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি।’

মুরগির বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, ‘এখন ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

মাছের বাজারেও মোটামুটি একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি খরচ হতে পারে।

বিক্রেতারা জানান, মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারে সরবরাহের ওপর দামের পার্থক্য হয়। একই বাজারেও সময়ভেদে দাম পরিবর্তিত হতে পারে। বাজারভেদে প্রতি কেজি মাছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমবেশি দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ বলেন, ‘মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।’

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD