প্রশ্নফাঁস শনাক্ত করা হবে সাইবার পর্যবেক্ষণে: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাইবার নজরদারির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা শনাক্ত করা হবে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২০ এপ্রিল) ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ফল প্রকাশ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই ফল প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ জন্য পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে এবং পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে, যাতে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ফলাফল প্রকাশ করা যায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি সতর্ক করে বলেন, মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম করলে সংশ্লিষ্ট কেউই দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারবেন না।
পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮১ সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি। কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এগুলোর কোনো সরকারি স্বীকৃতি নেই এবং সরকারের কাছে কোচিং সেন্টারের কোনো তালিকাও নেই।
বিজ্ঞাপন
পরীক্ষার মানোন্নয়নে পরীক্ষকদের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। খাতা মূল্যায়নের পর র্যান্ডম স্যাম্পলিং পদ্ধতিতে পরীক্ষকদের কাজ যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞাপন
আসন্ন পরীক্ষার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন।








