২০২৭ সালের এসএসসি শুরু হতে পারে ৩১ ডিসেম্বর

২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুরু করে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এ সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিকভাবে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রীর ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবির সমন্বয় করে ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে জানুয়ারিজুড়ে লিখিত পরীক্ষা এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সম্ভাব্য রমজানের ছুটি শুরুর আগেই পরীক্ষা শেষ করতে এ সময়সূচি বিবেচনা করা হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বিজ্ঞাপন
একই সঙ্গে ২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ভবিষ্যতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়মিতভাবে ডিসেম্বরের মধ্যেই আয়োজনের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী বছর ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের ছুটি শুরু হতে পারে। তার আগেই পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব কি না, তা বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরু এবং ৭ ফেব্রুয়ারি শেষ ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া সময়সূচি তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরে সেটি পর্যালোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: ঈদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে লম্বা ছুটি
বিজ্ঞাপন
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে বারবার কথা বলেছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা হঠাৎ করে পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে মত দিয়েছেন এবং জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন। উভয় দিক বিবেচনায় ডিসেম্বরের শেষ দিনে পরীক্ষা শুরু করে পুরো জানুয়ারিজুড়ে লিখিত পরীক্ষার সূচি সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা—দুই দিকই সমন্বয় করা সম্ভব হবে।








