পরীক্ষার্থী কমলেও অনুত্তীর্ণ বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমলেও অনুত্তীর্ণ (ফেল) শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কম অংশ নিলেও ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। অন্যদিকে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯২৮ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এ দিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চলতি ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন। সে বছর উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন। অর্থাৎ অনুত্তীর্ণ হয়েছিল প্রায় ৬ লাখ ৬৬০ জন।
হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। কিন্তু অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্টো বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯৪৮ জন।
এর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক পাসের হারেও। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
ফলাফলের শীর্ষ সূচকেও এবার অবনমন দেখা গেছে। ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।








