Logo

শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি, স্ক্রিনশট যাবে মাউশিতে

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৮:২৫
শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি, স্ক্রিনশট যাবে মাউশিতে
ছবি: সংগৃহীত

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ জন্য একটি বিশেষ ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করেছে মাউশি।

বিজ্ঞাপন

সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষক-কর্মচারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করবে এই কমিটি। নীতিমালা পরিপন্থী কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা পোস্ট নজরে এলে সেটি সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ মাউশিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাউশির প্রকাশিত এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠি অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতানকে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

কমিটির মূল দায়িত্ব হবে মাউশির অধীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা এবং সরকারি নীতিমালা বা আচরণবিধির ব্যত্যয় ঘটলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনা।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এবং সরকারি আচরণবিধি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণের উদ্দেশ্যেই মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মাউশির আওতাধীন কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে সেটি সংরক্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ক্ষেত্রে শুধু পোস্টের তথ্য দিলেই হবে না; অভিযোগের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য ও প্রমাণ যুক্ত করতে হবে।

এর মধ্যে রয়েছে— সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল; ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম; সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক; পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময়; পোস্টের স্ক্রিনশট এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য ও প্রমাণ।

অর্থাৎ কোনো পোস্ট নিয়ে অভিযোগ করা হলে সেটির উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার মতো তথ্যও সঙ্গে দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণ কমিটির আহ্বায়কের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য চিঠিতে একটি ই-মেইল ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়েছে।

মাউশির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট এবং মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছেও চিঠিটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগের ফলে মাউশির অধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধি অনুসরণের বিষয়টি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের আওতায় আসছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD