Logo

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট নজরদারিতে নতুন কমিটি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫৪
শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট নজরদারিতে নতুন কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের পোস্ট ও কনটেন্ট পর্যবেক্ষণে নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। এ জন্য ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মাউশির আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধি অনুসরণ করছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট মাউশি থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা ও সরকারি আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের আওতাধীন কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকার পরিপন্থি, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, অসত্য বা নেতিবাচক কোনো কনটেন্ট নজরে এলে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

এ ছাড়া দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে—এমন স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট কিংবা অন্য কোনো কনটেন্ট পাওয়া গেলেও তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ককে জানাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ বা তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও কনটেন্টের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য চার ধরনের তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

যেসব তথ্য পাঠাতে হবে— ১. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নাম, পদবি ও কর্মস্থল। ২. ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক। ৩. পোস্ট বা স্ট্যাটাস প্রকাশের তারিখ ও সময়। ৪. সংশ্লিষ্ট পোস্ট বা স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশটসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব তথ্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ককে ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা, আচরণবিধি ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা আরও নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD