Logo

এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:০৪
এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে
ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে দায়িত্বে অবহেলা করা শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ করার পর ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এত শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তনের বিষয়টি প্রশ্ন তৈরি করে। যারা পরীক্ষার খাতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, সময়মতো বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। দায়িত্ব নেওয়ার সময় শিক্ষা খাতকে নাজুক অবস্থায় পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে জর্জরিত একটি পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ায় সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট দূর করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর সেশনজট থাকতে দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ফলাফলও ভালো করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। পড়াশোনা শেষে যেন শিক্ষার্থীদের বেকার থাকতে না হয়, সে লক্ষ্যেও কাজ করার কথা জানান তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে ক্লাসরুম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম সংস্কার এবং কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন কোর্স চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ল কলেজগুলোর বাড়তি ফি আদায়ের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় বাড়ার বিষয়টি এসেছে। ল কোর্সের ফরম পূরণের ফি দ্বিগুণ বা তিনগুণ করা হয়েছে কেন—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য শুধু অর্থ আয় করা নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ব্যবহার করে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যাবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমিও ট্রিগার টানতে জানি। সব সমস্যার সমাধান করবোই।’

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবারই প্রথম ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু করেছে। অনুষ্ঠানে ৫৭ শিক্ষার্থীর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD