বাবা দিবসে আবেগঘন বার্তায় চঞ্চল চৌধুরীর আকুতি

বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে যখন অনেকেই বাবাকে নিয়ে স্মৃতি, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা শেয়ার করছেন, তখন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর পোস্টে ধরা পড়েছে গভীর শূন্যতা আর হারানোর বেদনা। প্রয়াত বাবাকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস। এ উপলক্ষে দেশের শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকার মতো চঞ্চল চৌধুরীও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তবে তার লেখাজুড়ে ছিল বাবাকে হারানোর কষ্ট এবং স্মৃতির ভার।
পোস্টে চঞ্চল চৌধুরী জানান, ‘গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা থেকে বাবা দিবস উপলক্ষে একটা ইন্টারভিউ চাচ্ছিল। বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, কী বলব, বলেই বা কী লাভ? বাবাকে হারিয়েছি প্রায় চার বছর আগে। ‘বাবা’ শব্দটা বুকের ভেতর থেকে বের হয়ে মুখে আটকে আছে চারটা বছর।’
বিজ্ঞাপন
বাবার অনুপস্থিতি যে তাকে কতটা পুড়িয়েছে, সেই স্মৃতি হাতড়ে চঞ্চল চৌধুরী আরও বলেন, ‘গতকাল রাতে ঠিক কোনোভাবেই ঘুম আসছিল না, বাবার কথা খুব মনে পড়ছিল। বার বার লাইট জ্বালিয়ে ফ্রেমে বাঁধানো বাবার ছবিটা দেখছিলাম। তারপর সলীল চৌধুরীর লেখা এই কবিতাটার কথা মনে হলো।’
স্মৃতির পাতা ওল্টাতে গিয়ে চঞ্চল চৌধুরী জানান, গভীর রাতে কবিতাটি আবৃত্তি করতে গিয়ে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অভিনেতার কথায়, ‘বার বার গলা কাঁপছিল, চোখ ভিজে যাচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত কবিতাটা মোবাইল ফোনে রেকর্ড করলাম। মাথার ওপর থেকে যখন বাবার ভরসা আর স্নেহের হাতটা চলে যায়, পিতৃহারা সন্তানেরা তখন বুঝতে পারে পৃথিবী কতটা ফাঁকা।’
বিজ্ঞাপন
বাবার অনুপস্থিতির এই দীর্ঘ সময়ে তিনি বাবার আদর্শকেই জীবনের পথচলার প্রধান শক্তি হিসেবে ধরে রাখতে চান বলেও উল্লেখ করেন। পোস্টের শেষাংশে চঞ্চল চৌধুরী সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে বলেন, জীবনের বাকি সময়টুকু যেন অন্তত বাবার আদর্শ ধারণ করে কাটাতে পারেন, সেটিই তার সবচেয়ে বড় চাওয়া।








