টরন্টোর ড্যানফোর্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত

কানাডার টরন্টোর ড্যানফোর্থ শহীদ মিনারে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত হয়েছে। ১৬ আগস্ট এনসিপি ডায়াসপোরা কানাডার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে বিশেষ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
স্মরণসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আহতদের প্রতিও জানানো হয় আন্তরিক সম্মান। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা শহীদ ও আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি আন্দোলন নয়; এটি অন্যায়, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এ আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য গভীর দায়িত্বের বার্তা বহন করে।
তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের সাহসিকতা কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। তাঁদের ত্যাগকে স্মরণে রেখে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
বিজ্ঞাপন
টরন্টোর প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, দেশের বাইরে বসবাস করলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি তাঁদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতায় কোনো কমতি নেই। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে প্রবাসীরাও সচেতন এবং তাঁরা ভবিষ্যতেও দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
স্মরণসভায় জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আহতদের প্রতি আন্তরিক সম্মান জানানো হয়। বক্তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁদের স্মৃতি ও আদর্শ ধারণ করে একটি সুন্দর, মানবিক ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এ সময় এনসিপি ডায়াসপোরা কানাডার আহ্বায়ক রোকেয়া পারভীন, মুখ্য সংগঠক সৈয়দ মিলটন রেজা, রেজা সাওয়ার, লেখক মঈউদ্দিন আহমেদ, সেলিম আবু, হানিফ আহমেদ, আবরার ইবনে মিজান, শরীফ বাবুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনা এবং আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।








