দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ১৮ জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে ইতোমধ্যে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, ৫ এপ্রিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম চালু হয়েছে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হচ্ছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে সচেতনতা বাড়বে এবং অপপ্রচার প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
বিজ্ঞাপন
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের অবশ্যই টিকার আওতায় আনতে হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হলেও সময়মতো টিকা দিলে সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। অধিকসংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনা গেলে গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে, ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে যাবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, তাদের নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতাল না থাকায় নগরবাসীর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। মহাখালীর একটি বিদ্যমান স্থাপনাকে আধুনিক জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। সেখানে সেবার মানোন্নয়ন ও অব্যবস্থাপনা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।








