তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস হোক তামাক-নিকোটিনমুক্ত: প্রজ্ঞা

তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রেখে তাদের ফুসফুস সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)।
বিজ্ঞাপন
বিশ্ব ফুসফুস দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের এ আহ্বান জানান। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এ লাইফটাইম অব লাং হেলথ’।
এ বি এম জুবায়ের বলেন, ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রচলিত তামাকপণ্যের পাশাপাশি ই-সিগারেট, ভেপিং এবং অন্যান্য নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার ও বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ বিশ্বজুড়ে অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ। তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার ফুসফুসের ক্যানসার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), যক্ষ্মা ও অ্যাজমাসহ বিভিন্ন গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস, ২০২৩’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মৃত্যুর শীর্ষ পাঁচটি কারণের মধ্যে দুটি ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যক্ষ ধূমপানের পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপানও ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞার তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাক ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন রোগে মারা যান। দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ তামাক ব্যবহার করে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সংস্থাটি আরও বলছে, ই-সিগারেট, ভেপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট এবং নিকোটিন পাউচের মতো নতুন প্রজন্মের পণ্যের ব্যবহার কিশোর ও তরুণদের মধ্যে বাড়ছে। এসব পণ্যের বিস্তার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রজ্ঞা।
বিশ্ব ফুসফুস দিবস উপলক্ষে প্রচলিত তামাকপণ্যের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার ও বিস্তার রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।








