‘কলকাতায় হামলা চালাবে পাকিস্তান, প্রধানমন্ত্রী চুপ কেন? ক্ষোভ মমতার

কলকাতায় হামলার হুমকিকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের পর কেন্দ্রীয় সরকারের নীরবতা নিয়েই তার এই ক্ষোভ।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কেরালায় এক অনুষ্ঠানে সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান কোনো ধরনের ‘দুঃসাহসিকতা’ দেখালে ভারত কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দেবে।
এর দুই দিন পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ পাল্টা মন্তব্যে বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে এমন কোনো পদক্ষেপ এলে তার জবাবে কলকাতায় হামলা চালানো হতে পারে। এ বক্তব্যের পরও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
বিজ্ঞাপন
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের নাকাশিপাড়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী কীভাবে কলকাতাকে নিশানা করার কথা বলেন? কেন প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপের কথা বললেন না? কেন নীরবতা?”
জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গে কেন্দ্রের পাশে থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভারতীয় হিসেবে আমরা সবসময় কেন্দ্রকে সমর্থন করি। কিন্তু কলকাতার ওপর হামলার হুমকি মেনে নেওয়া যায় না।”
গত বছর জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগাম এলাকায় সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনাও করেন তিনি। তার অভিযোগ, নিরাপত্তা ইস্যুতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর পদত্যাগ দাবি করেন মমতা। পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
মমতার দাবি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে থাকা সত্ত্বেও অনুপ্রবেশের অভিযোগ তুলে রাজ্যের মানুষকে দোষারোপ করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।








