১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে তেলের দাম, বাড়ছে মন্দার শঙ্কা

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান জেপি মরগান সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত থাকলে তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। আর এই সংকট মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চললে দাম ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে যেকোনো বিঘ্ন বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি করে এবং বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি বাড়ায়।
জেপি মরগানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সরবরাহ সংকট ও মজুত কমে যাওয়ার কারণে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকজুড়ে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। তবে কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে প্রণালির কার্যক্রম আংশিক স্বাভাবিক হলে এবং মজুত পরিস্থিতি উন্নত হলে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমূল্য বজায় থাকলে জ্বালানির চাহিদা কমে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার এই অবস্থানের পর আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনে অস্থিরতা বেড়েছে এবং তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।








