একের পর এক হত্যাচেষ্টা: যেভাবে বাঁচলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন ও নির্বাচনি প্রচারণার সময় একাধিকবার প্রাণঘাতী হামলা ও হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কয়েকবার হামলাকারীরা তার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। প্রতিটি ঘটনায় তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও এসব ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিজ্ঞাপন
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। পেনসিলভানিয়ার বাটলার এলাকায় এক নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় পাশের একটি ভবনের ছাদ থেকে ২০ বছর বয়সী থমাস ক্রুকস নামের এক যুবক ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই হামলায় মঞ্চে থাকা একজন নিহত হন এবং ট্রাম্পের কান গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়। ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এর কিছুদিন পরই সেপ্টেম্বর মাসে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে নিজের গলফ কোর্সে আবারও হামলার চেষ্টা হয়। প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, রায়ান রাউথ নামের এক ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। ট্রাম্প গলফ খেলতে গেলে তিনি ঝোপের আড়ালে রাইফেল নিয়ে অবস্থান নেন। তবে গুলি করার আগেই সিক্রেট সার্ভিসের এক এজেন্ট তাকে দেখে ফেলেন এবং পরে তাকে আটক করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত রাউথকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
বিজ্ঞাপন
একই মাসের শুরুতে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টেও আরেকটি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। ২১ বছর বয়সী অস্টিন টাকার মার্টিন শটগান নিয়ে জোরপূর্বক ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রিসোর্টে ঢুকে পড়ে। তবে তখন ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। নিরাপত্তা কর্মীরা ওই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন।
পরপর এসব ঘটনা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। বর্তমানে এফবিআইসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা তার নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে।








