লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা, ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহত

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি চললেও সীমান্তজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ইসরায়েলের এক সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননে পৃথক হামলায় আরও তিন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, লেবানন সীমান্তসংলগ্ন মানারা এলাকায় বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন হামলায় ওই সেনা নিহত হন। একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননে আরেকটি ড্রোন বিস্ফোরণে তিন সেনা আহত হয়েছেন।
আইডিএফ জানিয়েছে, মার্চের শুরু থেকে লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষ তীব্র হওয়ার পর এ পর্যন্ত ১৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
হামলার পর দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। একই সময়ে উত্তর ইসরায়েলের গ্যালিলি অঞ্চলেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে।
হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের আল-তাইবেহ শহরের একটি বাড়িতে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি আরও জানায়, ওয়াদি আল-উইউন ও সারবিন এলাকার মাঝামাঝি স্থানে ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক যানবাহনের সমাবেশেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তাইবেহ শহরের বাইদার আল-ফাকানি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর তিন দফা হামলার দায়ও স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। তাদের দাবি, আহত সেনাদের সরিয়ে নিতে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়।
এদিকে তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনার অচলাবস্থার মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার (১১ মে) বিকেলে নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম।
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার শুকিন, কফর তেবনিত এবং ইয়াহমার শাকিফ এলাকায় একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান।
বিজ্ঞাপন
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৮৪৬ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর পর অন্তত ১৩০টি হামলায় ১০৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত এবং ২৩০ জন আহত হয়েছেন।
এছাড়া চলমান সংঘাতে লেবাননে ১০ লাখের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: এনএনএ, প্যালেস্টাইন ক্রনিকল ও আল-মায়েদিন








