রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে ইউক্রেনের ৪০ দিনের অভিযান

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে নতুন কৌশল নিয়েছে ইউক্রেন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ৪০ দিনের বিশেষ অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সম্প্রতি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর এ ঘোষণা আসে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৬ জুন) ইউরোনিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা (এসবিইউ)-কে ৪০ দিনের এ অভিযান পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছেন জেলেনস্কি। এসবিইউ প্রধান মেজর জেনারেল ইয়েভহেনিই খমারার সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ তথ্য জানান।
জেলেনস্কির ভাষ্য, গত কয়েক মাসে সম্মুখসারিতে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা জোরদারে বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য দক্ষতা দেখিয়েছে এসবিইউ। নতুন অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের ইতি টানাই মূল লক্ষ্য।
বিজ্ঞাপন
অভিযানের বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি। তবে জেলেনস্কি সম্প্রতি রুশ বাহিনীর জনবল ও সামরিক সরঞ্জামের ওপর সফল হামলার জন্য এসবিইউ-এর প্রশংসা করেছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, মধ্য ও দূরপাল্লার হামলার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় আগামী দিনগুলোতে রাশিয়ার অভ্যন্তর এবং অধিকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চলে ড্রোন হামলা আরও বাড়তে পারে।
গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেনের হামলায় ক্রিমিয়া ও মস্কোর বিভিন্ন স্থানে রসদ সরবরাহ, জ্বালানি অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। টানা ড্রোন হামলায় মস্কোর তেল শোধনাগারের কার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে, যা জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে জেলেনস্কির ঘোষণার পর মস্কো কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানীর দিকে কয়েক ডজন ড্রোন পাঠিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, তাদের দূরপাল্লার হামলার কারণে রাশিয়া অন্য অঞ্চল থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে মস্কো ও কার্চ সেতুর নিরাপত্তায় মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে। এতে রাশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল এবং অধিকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সূত্র: ইউরোনিউজ








