Logo

কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানি ড্রোনের হামলা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ জুলাই, ২০২৬, ১৬:৩৬
কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানি ড্রোনের হামলা
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতের মিনা আব্দুল্লাহ এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি লজিস্টিক ও সহায়তা কেন্দ্রে ইরানের একটি ড্রোন সরাসরি আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড জানায়, তাদের পরিচালিত ড্রোন সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওই সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানে। হামলার পর তারা একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায় আগুনে জ্বলতে থাকা একটি স্থানে আরেকটি ড্রোন গিয়ে আঘাত করছে।

এরআগে কুয়েতের রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বার্তাসংস্থা কুনা গতকাল রাতে জানায়, ইরানের হামলায় অজ্ঞাত একটি জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। যা সেনাবাহিনী ও ন্যাশনাল গার্ডের সেনারা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কুয়েতের বার্তাসংস্থা যে হামলার কথা জানিয়েছে সেটি মিনা আব্দুল্লাহর ঘটনা কি না তা নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিপ্লবী গার্ড হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে একটি ড্রোন ইতিমধ্যেই পুড়তে থাকা একটি জায়গায় আবার আঘাত হেনেছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য সব রপ্তানি করিডোরও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, আঞ্চলিক জ্বালানি রপ্তানির পথ হয় সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, নয়তো সবার জন্যই বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ হুমকির মাধ্যমে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের ব্যবহার করে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের আরেকটি ফ্রন্ট তৈরি হতে পারে এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌদি আরবের বিপুল পরিমাণ তেল রপ্তানিসহ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য নৌপরিবহনের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই পরিচালিত হয়। ফলে এ নৌপথে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD