ইরানের তিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের দাবি জর্ডানের

জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছে, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করার পরই সেগুলো শনাক্ত করে ভূপাতিত করা হয়।
বিজ্ঞাপন
জর্ডানের সেনাবাহিনীর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতিপথ থামিয়ে দেয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ নিরাপদে অপসারণে কাজ শুরু করে রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পসের বিশেষজ্ঞ দল।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল দল অনুমোদিত কারিগরি ও নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করে ঘটনাস্থলগুলো নিরাপদ করেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পদ এবং অবকাঠামোর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জোর দিয়ে বলেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা লঙ্ঘনের যে কোনো প্রচেষ্টা তারা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। একই সঙ্গে জর্ডানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সেনাবাহিনীর দাবি, সম্ভাব্য যেকোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশটির আকাশসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও বাহিনীর রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠিক কোন লক্ষ্যবস্তু উদ্দেশ্য করে ছোড়া হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তি হতাহত হয়েছেন কি না বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপরও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
বিজ্ঞাপন
এদিকে জর্ডান কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার রাখা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের যেকোনো হুমকি দ্রুত মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।
তথ্য সূত্র: আল জাজিরা








