Logo

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০ জুলাই, ২০২৬, ১৯:২৭
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আবারও বড় ধরনের পটপরিবর্তন হয়েছে। মাত্র দুই বছর আগে লেবার পার্টিকে বড় জয় এনে দেওয়া কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন দলের নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২০ জুলাই) বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের আমন্ত্রণে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অ্যান্ডি বার্নহাম। শপথ গ্রহণের পরই তিনি নতুন সরকার গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের সংসদীয় নিয়মে ভোটাররা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন না করে দলকে ভোট দেয় বলে জাতীয় নির্বাচন ছাড়াই লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় এই নেতৃত্ব পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহাম স্বীকার করেন, ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী বদলের ফলে বিশ্বমঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্রিটেনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের রাজনীতিকে পুনর্গঠন করাই এখন তার মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

‘কিং অব দ্য নর্থ’ খ্যাত গ্রেটার ম্যানচেস্টারের এই সাবেক মেয়র ও অভিজ্ঞ ক্যাবিনেট মন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই লন্ডনের বাইরে আঞ্চলিক ক্ষমতা ও বিনিয়োগ ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে লড়াই করছেন। দায়িত্ব নিয়েই তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নাগালের মধ্যে আনা হবে।

তবে ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বার্নহামকে বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা তার অন্যতম বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে, কারণ ট্রাম্প ইতোমধ্যে তাকে ‘চরম উদারপন্থী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। 

দেশের অভ্যন্তরেও পরিস্থিতি তার জন্য সহজ নয়। কট্টর ডানপন্থী রিফর্ম ইউকে এবং বামপন্থী গ্রিন পার্টির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার মধ্যে লেবার পার্টির জনসমর্থন ধরে রাখা হবে তার সরকারের বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। বিশ্লেষকদের মতে, গত পাঁচ বছরে একের পর এক প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন শুরুর’ প্রতিশ্রুতি দিলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে পারেননি। ফলে বার্নহামের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হবে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা এবং পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় স্থিতিশীলভাবে সরকার পরিচালনা করে সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটানো।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD