মুরগির মাংস বেশি খাওয়া নিয়ে তর্ক, বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর

নৈশভোজে মুরগির মাংসের টুকরো কে বেশি খেয়েছেন—এমন তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে শুরু হয় তর্ক। একপর্যায়ে সেই তর্ক রূপ নেয় ভয়াবহ সংঘর্ষে। ভারতের কর্ণাটকের বেলাগাভি জেলায় একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে একজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম সীতারাম। তিনি উত্তর প্রদেশের পিলিভিত জেলার কবিরগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। চাকরির সুবাদে কর্ণাটকের মুদালাগি এলাকায় বসবাস করতেন তিনি এবং সেখানকার প্রিয়া স্টিল কোম্পানিতে কাজ করতেন।
অভিযুক্ত অরুণ কুমারও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং সীতারামের সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চাকরির কারণে দুজনই মুদালাগির হুনাশ্যাল এলাকায় একটি পিজি বাসায় থাকতেন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, দুই বন্ধু একসঙ্গে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। এ সময় একজন অন্যজনের চেয়ে বেশি মুরগির মাংসের টুকরা খাওয়া নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। পরে তা উত্তপ্ত বাগ্-বিতণ্ডায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে অরুণ কুমার একটি ছুরি বের করে সীতারামের বুকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, অরুণ কুমার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আহত সীতারামকে গোকাক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। তবে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর জন্য তিনি দাবি করেন, সীতারাম একটি ভবন থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।
কিন্তু তার এই বয়ানে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অরুণ কুমারকে হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি সীতারামকে ছুরিকাঘাত করার কথা স্বীকার করেন।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় অরুণ কুমারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে মুরগির মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে তর্কই মূল কারণ কি না এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।








