Logo

যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই নতুন বিপদ, ধসে পড়ার ঝুঁকিতে ২৫৫ ভবন

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩:০৬
যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই নতুন বিপদ, ধসে পড়ার ঝুঁকিতে ২৫৫ ভবন
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় তিন বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় গাজার বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের কোনোটি আংশিকভাবে এবং কোনোটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় থাকা এসব স্থাপনার অনেকগুলো এখন যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গত সপ্তাহে গাজা সিটিতে যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন ধসে ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধসে পড়ার আশঙ্কায় থাকা আরও ২৫৫টি ভবন ভেঙে ফেলার জরুরি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন ভেঙে ফেলার কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব ভবন দ্রুত খালি করা প্রয়োজন, সেসব ভবনের মালিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবনগুলোর সামনে সতর্কতামূলক চিহ্ন বসানো হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনার ভেতরে প্রবেশ করতে না পারেন। ভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তবে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বেশ কিছু সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর। কিছু পরিবার বাড়ি ছেড়ে যেতে রাজি নয়। এছাড়া, অর্থের সংকটও রয়েছে।

নিরাপদে ভবন ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি রয়েছে। ইসরায়েলি অবরোধের কারণে এসব যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত সপ্তাহে গাজা সিটিতে যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন শিশু ও পাঁচজন নারী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও ১৪ জন আহত হন।

ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, আল সাদা নামের ভবনটি ছিল ছয়তলা। রাতে ভবনটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকা পড়েছিলেন।

সূত্র: আল-জাজিরা

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD