ইসরায়েলি বিমানকে যাত্রী নিতে সৌদিতে ঢুকতে দিল না রিয়াদ

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান জরুরি অবতরণের পর সৌদি আরবে আটকা পড়া যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে ইসরায়েলি বিমান পাঠানোর অনুরোধ নাকচ করেছে সৌদি আরব। বুধবার দুই নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বিজ্ঞাপন
ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে তেল আবিব যাওয়ার পথে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানে থাকা যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে ইসরায়েল সামরিক বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ সেই বিমান দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
এর আগে বিমানের জরুরি অবতরণের পর যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে সামরিক অথবা বেসামরিক বিমান পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছিল ইসরায়েল। কিন্তু সৌদি আরবের অনুমতি না পাওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
তবে যাত্রীদের তাবুক থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে ফ্লাইদুবাই বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করেছে। বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে রাখা হয়েছে এবং তাদের যাত্রা শেষ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
ফ্লাইট এফজেড১০৭৩ বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। মাঝপথে বিমানে একটি ঘটনা ঘটে এবং পরে সেটি সৌদি আরবের তাবুকে নিরাপদে অবতরণ করে। ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, বিমানের সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে আছেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ঘটনার শুরুতে বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠালে সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানও সেটির দিকে পাঠানো হয়েছিল। পরে জানা যায়, ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি একপর্যায়ে প্রায় ৩৩-৩৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত নিচে নেমে আসে। এরপর সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।
বিজ্ঞাপন
সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। ফলে সৌদি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বিমান প্রবেশ করে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি বিমানকে অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।








