‘পবিত্রকরণ আচার’-এর নামে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

ভারতের গুজরাটের সুরেন্দ্রনগর জেলায় ধর্মীয় পবিত্রকরণের অজুহাতে এক নারীকে আটকে রেখে নির্যাতন ও দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসে। পরে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করে।
বিজ্ঞাপন
ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। চারপাশে জড়ো হওয়া মানুষজন তাকে নিয়ে উপহাস করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী স্বামীকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী ও কয়েকজন আত্মীয় তাকে ঘরে তালাবন্ধ করে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে নারী পালিয়ে গেলেও তাঁরা ধাওয়া করে ধরে ফেলে এবং গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে।
অভিযোগ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে ‘পবিত্রকরণ আচার’-এর নামে তার ওপর চরম নির্যাতন চালানো হয়। এর মধ্যেই দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই নারীর সঙ্গে বসবাসকারী পুরুষটিকেও মারধর করা হয়। পুরো ঘটনা ক্যামেরায় ধারণ করে অন্যদের সতর্ক করার উদ্দেশ্যে ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সুরেন্দ্রনগরের পুলিশ সুপার প্রেমসুখ দেলু জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ নিজ উদ্যোগে তদন্ত শুরু করে। ভুক্তভোগী নারী প্রথমে থানায় অভিযোগ করেননি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরে তল্লাশি চালিয়ে তাকে খুঁজে বের করা হয়।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ তার জবানবন্দি নিয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন নারীও রয়েছেন। অভিযুক্তদের ভূমিকা ও পটভূমি যাচাই করে আরও তদন্ত চলছে।
সূত্র: এনডিটিভি
বিজ্ঞাপন








