শান্তিতে ফুটবল দেখতে স্ত্রীকে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় নির্বিঘ্নে ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য স্ত্রীকে বাড়ির বেসমেন্টে একটি চেয়ারের সঙ্গে টেপ দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে ৬৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় টেরি ওয়ার্ড নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণ এবং পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা ও নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
টেরি ওয়ার্ড রিচমন্ডের বার্ড পার্কের কাছে মেপলউড অ্যাভিনিউ এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ অক্টোবর, রবিবার, ওই বাড়িতে পারিবারিক বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে পৌঁছে পুলিশ সদস্যরা তাঁর স্ত্রীর হাতে লালচে দাগ ও আঠালো টেপের অবশিষ্টাংশ দেখতে পান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউএফএলএ নিউজ চ্যানেল ৮-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখার কথা স্বীকার করেছেন টেরি। তদন্তকারীদের কাছে ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁকে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট এভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আদালতে দাখিল করা ফৌজদারি অভিযোগপত্রেও ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, টেরি তাঁর স্ত্রীকে আঠালো টেপ দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে বাড়ির বেসমেন্টে রেখে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই নারীও একই অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় টেরির বিরুদ্ধে গুরুতর অপহরণ এবং পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ঘটনার বিষয়ে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত বিস্তারিত আর কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য স্ত্রীকে বেঁধে রাখার অভিযোগ সামনে আসার পর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এমন অভিযোগে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে ঘটনাটির প্রকৃত পরিস্থিতি ও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ঘটনাটিকে পারিবারিক সহিংসতা ও বেআইনিভাবে আটকে রাখার অভিযোগ হিসেবে তদন্ত করছে।
সূত্র: এনডিটিভি








