Logo

নেতানিয়াহুর বিদায় নাকি ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন, কে হচ্ছেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩:২২
নেতানিয়াহুর বিদায় নাকি ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন, কে হচ্ছেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। ভোট গণনায় নেতানিয়াহুর দল লিকুদ এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। ফলে দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনভর ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ চলে। স্থানীয় সময় রাত ১০টায় (জিএমটি ২০:০০) ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়।

ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি ভোট গণনা করা হয়েছে, যা মোট ভোটের ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ। গণনা করা বৈধ ভোটের মধ্যে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি। দলটির প্রাপ্ত ভোট ১৭ দশমিক ০৬ শতাংশ।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন টুগেদার জোট। তারা পেয়েছে ৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। ভোট গণনা এখনো শেষ না হওয়ায় এ ফল পরিবর্তন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের পর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বুথফেরত জরিপেও ভিন্নতা দেখা গেছে। কান ও চ্যানেল ১৩-এর জরিপে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট এবং বিরোধী শিবির—উভয়ই ৫১টি করে আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, কোনো জোটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় এমন দলগুলো পেতে পারে ১৮টি আসন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এন১২-এর জরিপে নেতানিয়াহুর জোটের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ৫২, বিরোধী শিবিরের ৪৯ এবং অন্য দলগুলোর ১৯টি।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ফলে বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, কোনো শিবিরই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন ইসরায়েলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, বিচার বিভাগের ভূমিকা এবং নিরাপত্তানীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। চ্যাথাম হাউসের সহযোগী গবেষক জুলি নরম্যানের মতে, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনীতিতে নতুন দিকনির্দেশনা আসার সুযোগ রয়েছে।

তবে নির্বাচনি প্রচারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বড় গুরুত্ব পায়নি। নরম্যানের মতে, নির্বাচনের ফল ফিলিস্তিনের ভবিষ্যতের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

চূড়ান্ত ভোট গণনা এবং সরকার গঠনের আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন, নাকি সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির সরকার গঠনের সুযোগ পাবে—তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: আলজাজিরা

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD