Logo

মন যা চায় তাই খাওয়ার দিন আজ

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৬ মে, ২০২৬, ১৮:২৮
মন যা চায় তাই খাওয়ার দিন আজ
ছবি: সংগৃহীত

ডায়েটের কঠোর নিয়মে ক্লান্ত হয়ে পড়া মানুষের জন্য আজ এক ধরনের স্বস্তির দিন। যারা দীর্ঘদিন ধরে ডায়েট মেনে চলছেন, তারা চাইলে আজ নিয়ম ভেঙে ইচ্ছেমতো খাবার উপভোগ করতে পারেন। কারণ আজ পালিত হচ্ছে ‘নো ডায়েট ডে’।

বিজ্ঞাপন

প্রতি বছর ৬ মে বিশ্বব্যাপী উদ্‌যাপন করা হয় আন্তর্জাতিক ‘নো ডায়েট ডে’। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য শরীর নিয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা এবং অতিরিক্ত কঠোর ডায়েট সংস্কৃতির বিরোধিতা করা। একই সঙ্গে মানুষের খাদ্যের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করাও এই দিবসের লক্ষ্য।

বডি শেমিং বা শরীর নিয়ে উপহাসের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় উৎসাহ দিতে ১৯৯২ সালে মেরি ইভান্স ইয়াং এই দিবসটির সূচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

শরীরের আকৃতি ও ওজন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা অনেক সময় অ্যানোরেক্সিয়া নামের মানসিক ও শারীরিক সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যানোরেক্সিয়া বলতে বোঝায় ক্ষুধা থাকা সত্ত্বেও খাবারের প্রতি চরম অনীহা বা ভয়।

মেরি ইভান্স ইয়াং নিজেও অ্যানোরেক্সিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার পর ১৯৯২ সালে তিনি ‘ডায়েট ব্রেকার্স’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। পরে ক্ষতিকর ডায়েট সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে তিনি ‘নো ডায়েট ডে’ প্রচলন করেন।

এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে নিজের শরীরকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা কমানো। নব্বইয়ের দশকেই দিবসটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং এরপর থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এটি পালিত হয়ে আসছে।

বিজ্ঞাপন

তবে ‘নো ডায়েট ডে’ কখনোই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বা সুষম খাবার গ্রহণকে নিরুৎসাহিত করে না। বরং এটি অতিরিক্ত কড়াকড়ি ডায়েট এবং ক্ষতিকর খাদ্যসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার বার্তা দেয়।

দিবসটি স্মরণ করিয়ে দেয়, সুস্থ থাকতে শুধু ডায়েট নয়, নিজের শরীরকে ভালোবাসা এবং আনন্দের সঙ্গে সুষম খাবার গ্রহণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD