আজ ইগো চেক দেওয়ার দিন

‘অহংকার সচেতনতা দিবস’: নিজের ভেতরের ইগোটা একটু চিনে নেওয়ার সময়। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ দেখা যায়, যাদের আচরণ দেখে মনে হয়—আকাশটা যেন তারাই মাথায় করে রেখেছেন! ভুল হলেও “সরি” শব্দটা তাদের মুখে খুব কমই শোনা যায়, আর তর্কে হার মানার বিষয়টা তো প্রায় অসম্ভব। কেন এসব বলা হচ্ছে? কারণ আজ ১১ মে—বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড ইগো অ্যাওয়ারনেস ডে’ বা বিশ্ব অহংকার সচেতনতা দিবস।
বিজ্ঞাপন
ইগো নিয়ে একটু সহজভাবে ভাবা যাক
অহংকার বা ইগো (Ego) বিষয়টা অনেকটা বডি স্প্রের মতো—যে ব্যবহার করে সে টের পায় না, কিন্তু আশপাশের মানুষের জন্য পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে! মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত ইগো মানুষের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে, ভাঙনও ডেকে আনে। তবে আজকের এই দিনটি বিষণ্ন হওয়ার জন্য নয়, বরং নিজের ভেতরের “ইগো”টাকে একটু চিনে নেওয়ার সুযোগ।
বিজ্ঞাপন
কয়েকটি পরিচিত ইগো ধরণ নিচে তুলে ধরা হলো —
১. ‘আমি সব জানি’ ইগো: তাদের মতে গুগলও তাদের কাছ থেকে তথ্য নেয়!
২. ‘সরি বলতে পারি না’ ইগো: ভুল করেও যারা স্বীকার করতে চায় না, বরং দায় চাপায় অন্যের ওপর।
বিজ্ঞাপন
৩. ‘রিপ্লাই দেব না’ ইগো: মেসেজ সিন করে রেখে দেওয়াকেই যারা ব্যক্তিত্বের অংশ মনে করে।
আরও পড়ুন: খুব সহজে যেভাবে চিনবেন ভালো আম
এছাড়াও আজকে এই প্রতিবেদন যারা দেখছেন বা পড়ছেন, তাদের জন্য ছোট্ট একটি বার্তা আজ অন্তত একজনের কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে দেখুন। একটু ইগো কমান, একটু হাসুন, দেখবেন মনটা অনেক হালকা লাগছে।
বিজ্ঞাপন
মনে রাখবেন, ইগো বা অহংকার কাউকে সত্যিকারের বড় করে না বরং অনেক সময় মানুষকে সম্পর্ক ও বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।








