Logo

বিয়ের আগে বর-কনের এই ৪ টেস্ট করতে ভুলবেন না

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:৩৭
বিয়ের আগে বর-কনের এই ৪ টেস্ট করতে ভুলবেন না
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের আগে বর-কনের নানা ধরনের প্রস্তুতি থাকে। সাজপোশাক, আংটি-চুড়ি থেকে শুরু করে বিয়ের অন্যান্য আয়োজনেও খরচ হয় হাজার হাজার টাকা। তবে এসব প্রস্তুতির পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেকেই উপেক্ষা করেন, সেটি হলো বর-কনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সফল, সুস্থ ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলতে শুধু মানসিক বোঝাপড়া ও পারস্পরিক মিল থাকলেই হয় না, শারীরিক সুস্থতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

তাই বিয়ের আগে বর-কনের কিছু বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে এমন বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আগেভাগেই ধারণা পাওয়া সম্ভব। ফলে প্রয়োজন হলে সময়মতো চিকিৎসা বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

বন্ধ্যত্ব পরীক্ষা:

বিয়ের আগে বন্ধ্যত্ব-সংক্রান্ত পরীক্ষা করানো হলে নারী ও পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। নারীর ডিম্বাণু এবং পুরুষের শুক্রাণুর স্বাস্থ্য কেমন, তা বোঝার ক্ষেত্রে এ ধরনের পরীক্ষা সহায়ক হতে পারে। অনেক সময় বন্ধ্যত্বের নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ আগে থেকে দেখা যায় না। ফলে বিষয়টি আগেভাগে জানা কঠিন হয়ে পড়ে। ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বিয়ের আগে প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উপকারী হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

রক্তের গ্রুপ ও রিসাস ফ্যাক্টরের মিল:

বিয়ের আগে রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু রক্তের গ্রুপের মিল-অমিলই সব নয়, রিসাস ফ্যাক্টরও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বর-কনের রিসাস ফ্যাক্টর সম্পর্কে জানা জরুরি। রিসাস ফ্যাক্টরের অসামঞ্জস্য থাকলে গর্ভাবস্থায় কিছু জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই বিয়ের আগেই বিষয়টি সম্পর্কে জানা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

বংশগত রোগের পরীক্ষা:

বিজ্ঞাপন

কিছু রোগ পারিবারিক বা বংশগত কারণে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যেমন স্তন ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, কিডনি রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো কিছু রোগের ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই পরিবারের কারও এ ধরনের রোগের ইতিহাস থাকলে বিয়ের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। এতে ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন হলে শুরুতেই চিকিৎসা বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

যৌনবাহিত রোগের টেস্ট:

বর্তমানে বিবাহের আগেই অনেকেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাই উভয়েরই এসটিডি টেস্ট করানো জরুরি। এই টেস্টে জানা যায় এইচআইভি এইডস, গনোরিয়া, হার্পিস, সিফিলিস, হেপাটাইটিস সি-র মতো রোগ আছে কি না। এগুলোর কিছু কিছু আজীবন থেকে যায় ও জীবনসংকট তৈরি করতে পারে।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD