নির্বাচন ঘিরে টানা ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন সময়ে টানা তিন দিনের ছুটির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে এই ছুটি কার্যকর হবে। ঘোষিত ছুটির আওতায় থাকবেন— সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা, বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।
মূলত ভোট গ্রহণ ও ভোটাধিকার প্রয়োগে যেন কেউ কর্মব্যস্ততার কারণে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শিল্প কারখানাগুলোতে সাধারণত টানা উৎপাদন কার্যক্রম চলমান থাকায় শ্রমিকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে বিশেষভাবে ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি দেওয়া হয়েছে। ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীরাও পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ভোট দিতে পারবেন।
বিজ্ঞাপন
এরই মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ছুটির এ সিদ্ধান্ত ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং নির্বাচনী পরিবেশকে আরও অংশগ্রহণমূলক করে তুলবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি খাতে টানা তিন দিনের ছুটি দেশের কর্মজীবী মানুষের জন্য বাড়তি স্বস্তি এনে দিয়েছে।








